দুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি কি?দুধ টিপা

প্রত্যেক মহিলারাই সুন্দর ব্রেস্ট বা দুধ চায়।( দুধ ম্যাসাজ পরার পদ্ধতি) এখানে সুন্দর বলতে বুঝায় সুগঠিত এবং টাইট দুধ। সুন্দর, সুগঠিত এবং টাইট দুধ যে কোন মহিলারাই চায়। যে মহিলার দুধ নরম হয়ে গেছে বা ঢলে গেছে তাকে বাহির থেকেও সুন্দর দেখায় না। কোন মহিলার দুধ স্বাস্থ্যকর, সুঢৌল এবং বড় হলে সেটা তার জন্য শুধু ভালো না, তাকে অনেক সময় অনেক শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্ত রাখে। আবার যখন শ্রেষ্টত্বের কথা আসে তখন মহিলারা ন্যাচারাল দুধই চায়। তবে অনেক সময় হরমোন এবং বংশগত কারণে অনেক মহিলার দুধ ছোট হয়। এক্ষেত্রে চিন্তার কারণ নেই। কারণ বেশিরভাগ সময়েই দুধ ম্যাসাজ করে দুধ বড় করা যায়। আজকে আমরা আলোচনা করবো দুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি কি? একজন স্বামীর কেমন করে দুধ ম্যাসাজ করা উচিত যাতে করে তার স্ত্রীর দুধ ঝুলে না যায়, দুধ কেন ঝুলে যায় ইত্যাদি। এর মাঝে কিভাবে স্তন মেসেজ করতে হয় সেই ভিডিও ও আমি এড করে দিয়েছি।

দুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি

দুধ ম্যাসাজ করার অনেক পদ্ধতি আছে। তবে আমরা আগে জেনে আসবো দুধ কেনো ছোট বা বড় হয়। এতে করে আপনার দুধ বড় বা ছোট হওয়ার কারণ ধরতে পারবেন এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবেন। যোনিতে লিংগ প্রবেশের নিয়ম

মেয়েদের দুধ কেনো ছোট হয়?

বেশিরভাগ মেয়েদেরই বংশগতভাবে দুধ ছোট হয়। অর্থাৎ যদি আপনার দাদি, নানি বা মা এর দুধ ছোট থাকে তাহলে আপনার দুধও ছোট হতে পারে। আসলে দুধ ছোট হওয়াটা লম্বা বা খাটো হওয়ার মতই স্বাভাবিক। স্তন ছোট হওয়াটাকে অনেকে ভাল মনে করে। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে মাইক্রোমাস্টিয়া বলা হয়। অর্থাৎ স্তনের কোষ গঠনে সমস্যা হয়।

সত্যি বলতে স্তনের আকার কেন ছোট হয় এর নির্দিষ্ট কোন কারণ নাই। যেমন অনেক লম্বা মেয়ের দুধ ছোট হতে পারে। আবার খাটো মহিলাদের স্তন বড় থাকতে পারে। অনেকের জন্মগত এড্রিনাল হাইপারপ্লাসিয়া এর জন্য স্তন ছোট হতে পারে। তবে আমাদের দেশে ৯৯% লোকেরই বংশগত কারণে স্তন ছোট হয়।

মেয়েদের দুধ কিভাবে ম্যাসাজ করতে হয়?

মেয়েদের দুধ বড় করার অনেক পদ্ধতি আছে। আমি এখানে দুটি পদ্ধতির কথা তুলে ধরছি।

পদ্ধতি ১ঃ তেল বা ক্রিমের সাহায্যে দুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি

তেল বা ক্রিমের সাহায্যে দুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি

প্রথমে হাতে কিছু সামান্য প্রাকৃতিক তেল বা ব্রেস্ট ম্যাসাজিং ক্রিম নিন। তবে আমার মতে প্রাকৃতিক তেল বেশী কার্যকর। প্রাকৃতিক তেলের ভিতর আছে সরিষার তেল, নারিকেল তেল ইত্যাদি। আমি নারিকেল তেল দিয়ে ম্যাসাজ করতে বলবো। সরিষার তেল দিয়ে ম্যাসাজ করলে দুধ কালো হয়ে যেতে পারে। তবে যদি তেল দিয়ে না পারেন , তাহলে ন্যাচারাল উপাদান দিয়ে তৈরী ক্রিম ইউজ করতে পারেন। ন্যাচারাল উপাদানের ভিতর আছে হলুদ, মধু, চিনি, নিম পাতা , এলোভেরা ইত্যাদি। এসব মিক্স করে যদি ক্রিম বানাতে পারেন তাহলে শিউর উপকার পাবেন।

হাতের তাপমাত্রা ঠিক করে দুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি

যদি আপনার হাতের তাপমাত্রা কম হয় তাহলে আপনার দুধের কোষ গুলো গুটীয়ে যেতে পারে। আর এর জন্য মেসেজ করার আগে হাত ঘষে হাত গরম করে নিন। আর এমনিতে ঠান্ডা হাত দিয়ে ম্যাসাজ করলে স্তনে ব্যাথা এবং অদ্ভুদ ফিলিং আসতে পারে।

এবার ম্যাসাজ শুরু করুনদুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি

যদি উপরের সবকিছু ঠিক থাকে তাহলে দুধ ম্যাসাজ শুরু করতে পারেন। তবের দুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি আছে। প্রথমে সুন্দরভাবে আপনার হাত আপনার দুধের উপর রাখবেন এবং এর পর হাতের আঙুল ছড়িইয়ে দিবেন। প্রথমে ভিতরের দিকে অর্থাৎ দুধ আঙুল দিয়ে ম্যাসাজ করবেন আলতো ভাবে। এর পর দুধ ধরে মোচড় দিবেন। ডান দুধ একদিকে দিবেন আর বাম দুধ তার বিপরীতদিকে মোচড় দিবেন। এরপর আপনার দুধ দেখবেন শক্ত রাবারের মত হতে শুরু করবে। তখন কিছুক্ষণ রেস্ট নিয়ে আবার শুরু করবেন। যদি ব্যাথা লাগে তাহলে কিছুক্ষন রেস্ট নিতে পারেন। তবে নিপ টাচ করবেন না। আস্তে আস্তে স্তনের উপর চাপ বাড়াবেন। যদি ব্যাথা পান তাহলে চাপ কমিয়ে দিবেন। নিপলে চাপ বা নিপলে মোচড় দিলে সেক্স বেড়ে গিয়ে বিপদ হতে পারে। এভাবে পাচ মিনিট করতে পারেন। আর প্রতিদিন দুইবার সকাল বিকাল এমন করতে পারেন।

যদি আপনি আপনার দুধ তাড়াতাড়ি বড় করতে চান তাহলে বেশি সময় ধরে ম্যাসাজ করতে পারেন। তবে প্রতিবার ম্যাসাজে সর্বোচ্চ ১৫-২০ মিনিট ম্যাসাজ করা যাবে। এর বেশি করলে টিস্যুর ক্ষতি হতে পারে। যদি একমাসের ভিতর ফলাফল চান তাহলে প্রতিদিন ২ বার ১৫-২০ মিনিট করে টানা ১ মাস করলে ফল পাবেন। এতে ৩২ সাইজের দুধ ৩৪ হয়।

পদ্ধতি ২- দুধ মোচড়ের মাধ্যমে দুধের সাইজ বড় করা এবং দুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি

যেহেতু ক্রমাগত দুধ মোচড় দিলে আপনার হাতের বাহুতে ব্যাথা দেখা দিতে পারে, তাই আপনি একবারে একটি স্তন ম্যাসেজ করতে পারেন। এই জন্য, আপনার ডান হাত দিয়ে বাম স্তন এবং বাম হাত দিয়ে আপনার ডান স্তন ম্যাসেজ করলে ভাল উপকার পাওয়া যায়। গরম হাতের তালু দিয়ে, প্রতিটি স্তন একে একে ম্যাসাজ করতে হবে।

যদি দ্রুত ফলাফল পেতে চান তাহলে আপনাকে শুধু স্তনের উপর হাত বুলালেই হবে না। আপনার নিশ্চিত হতে হবে যে, আপনি স্তনের নিচের স্তনের টিস্যুগুলোর উপরও চাপ প্রয়োগ করছেন। কারণ স্তনের টিস্যু অনেক সংবেদনশীল। সেখানে নড়াচড়া হলে তা ফুলে উঠে এবং হরমোন নিঃসরণ করতে সাহায্য করে। এতে স্তন বড় হয়। তবে নিপল অনেক সংবেদনশীল। সেখানে কোন ম্যাসাজ করবেন না। আপনি আপনার স্তন ম্যাসেজ করার জন্য স্তন ম্যাসেজিং ক্রিম (প্রাকৃতিক উপাদান সহ) বা প্রাকৃতিক ম্যাসেজিং তেল ব্যবহার করতে পারেন। বিবাহিত ও অবিবাহিত মেয়েদের মাসিক বন্ধ হওয়ার কারণ? meyeder masik na hoyar karon ki ?

পদ্ধতি ৩ঃ কোমরের চর্বি দুধে স্থানান্তর করে দুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি

এই পদ্ধতি অনেক ভিন্ন। আপনি স্তন ম্যাসাজ করার আগে আপনাকে আপনার হাত গরম করে নিতে হবে। এর পর আপনার কোমরের চর্বির অংশগুলো ম্যাসাজ করবেন। আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করতে করতে স্তনের দিকে আসবে। এতে করে অনেকে বলে যে কোমরের চর্বি স্তনে চলে আসে। যদি ম্যাসাজ করতে সমস্যা হয় বা খসখসে মনে হয় তাহলে আপনি ক্রিম বা তেল ব্যাবহার করতে পারেন। মাসিক না হলে কি বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে?

দুধ ম্যাসাজ করার ফল তাৎক্ষনিকভাবে দেখা যায় না। কিন্তু আপনি যেদিন থেকে ম্যাসাজ শুরু করবেন সেদিন থেকেই আপনার স্তন টিস্যুতে কাজ শুরু করবে। আপনার স্তনের ক্ষেত্রে লক্ষনীয় পরিবর্তন আসতে প্রায় ১ মাস লাগতে পারে। আর এই একমাসের প্রতিদিন আপনাকে প্রতিদিন ২ বার চেষ্টা করতে হবে। দুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি

গোসলের সময় স্তনের ম্যাসাজ করে দুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি

গোসলের সময় আপনার স্তন অনেক নরম এবং আপনার স্তনের টিস্যুগুলো শান্ত থাকে। তখন আপনি হাতে সাবান লাগিয়ে বা স্তনে সাবান লাগিয়ে তখন স্তন ম্যাসাজ করতে পারেন। এতে করে স্তনের আকার বড় হয়ে যাবে। গোসলের সময় স্তন ম্যাসাজ করার সময় বেশি ঠান্ডা পানি দিয়ে ম্যাসাজ করবেন না। হালকা গরম পানি দিয়ে ম্যাসাজ করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। স্তন ম্যাসাজের সময় নিপলে হাত দিবেন না। আর স্তন ম্যাসাজ করার নিয়ম হল নিচের দিক থেকে হাত দিয়ে উপরের দিকে ম্যাসাজ করা।

স্বামীর সাহায্য নিন এবং স্তনের আকার বড় করুন এবং দুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি

বিয়ের পর শতকরা ৯৯% মেয়েরই দুধ বড় হয়ে যায়। কারণও নিশ্চয় বুঝতে পারছেন। তো আমাদের মেডিক্যালে এক স্যার বলছিলেন যে, স্বামীদের হাতে এক অদ্ভুদ ক্ষমতা আছে। তারা ২৮ সাইজের স্তনও ৩২ সাইজ করে দিতে পারে। স্বামীকে নিয়মিত সঠিকভাবে স্তন ম্যাসাজ করতে বলতে পারেন। এতে করে আপনার বিনা পরিশ্রমে স্তন ম্যাসাজ হয়ে যাবে। আপনার স্বামী স্তন ম্যাসাজ করার সময় বেশ জোরে প্রেশার দিয়ে টিপে থাকে। এর জন্য আপনার দুধের নিচের টিস্যুগুলো উত্তেজিত হয়ে যায়। তবে খেয়াল রাখবে যেনো স্তন ঝুলে না যায়। মাসিকের রক্ত কালো হয় কেন? মাসিকের রক্ত কালো হলে কি খেতে হয় ?

স্তনের আকার নাটকীয়ভাবে পরিবর্তিত হয়, তবে আমাদের দেশে পাওয়া সবচেয়ে ছোট কাপের আকার হল AA। নান্দনিকতার পরিপ্রেক্ষিতে, একটি বিস্তৃত, লম্বা মহিলার কাছে যা ‘ছোট’ দেখায়, তা একটি ছোট, খাটো মহিলার কাছে ‘বড়’ হবে।

যেহেতু স্তনের আকার আপনার স্তনের সম্পূর্ণ অংশ এবং আপনার পাঁজরের খাঁচার চারপাশের পরিমাপের মধ্যে সম্পর্ক দ্বারা নির্ধারিত হয়, উদাহরণস্বরূপ, একটি 38AA আসলে একটি 32AA থেকে অনেক বড় কাপ।

বলা হচ্ছে, A কাপ থাকার অর্থ এই নয় যে আপনি ফ্ল্যাট বুকের, কিন্তু স্তন বর্ধিতকরণ পদ্ধতির জনপ্রিয়তার কারণে এবং মিডিয়াতে ঘন ঘন আবির্ভূত হওয়া অবাস্তব “আদর্শ” এর কারণে নারীদের স্তনের বড় আকারের আকাঙ্ক্ষা যেমন ডিডি, ই বা এফ কাপ এর চাহিদা যথেষ্ট বেড়েছে।

অনেক সময় নিয়মমত না ম্যাসাজ করলে স্তন ঝুলে যেতে পারে। এখানে অবশ্য কিছু হরমোনের ঝামেলা থাকে।

মেয়েদের দুধ ম্যাসাজের ভিডিও

স্তন সম্পর্কে কিছু তথ্য

স্তন সম্পর্কে অনেক তথ্য আছে যা কিনা আপনি নিজেও জানেন না। এমনকি স্তনের কাজ আপনি যা ভাবেন তার থেকে বেশি হতে পারে। নিচে আমি স্তন সম্পর্কে বেশ কিছু আকর্ষণীয় তথ্য আছে যা কিনা নিচে দেওয়া হল। মেয়েরা কিভাবে হরমোন বের করে?ছবি সহ

  • আপনি কি জানেন যে বাম স্তন ডানের চেয়ে বড়? হ্যাঁ, কোন দুটি স্তন একই রকম বলে মনে হয় না।
  • আপনি যখন ব্যায়াম করেন তখন স্তন চার নম্বরে চলে যায়।
  • একজন মহিলার সারা জীবনে স্তনের আকার প্রায় 6 বার পরিবর্তিত হয়। আপনি যেমন ব্রা পরবেনতার জন্য স্তনের আকার পরিবর্তন হতে পারে।
  • গর্ভাবস্থা এবং স্তন্যদানের পরেই আপনার স্তন পরিপক্ক হয়। তখনই আপনার স্তনের ম্যাচুরিটি চলে আসে।
  • একজন মহিলার প্রথম মাসিকের 4 বছর পর স্তন স্বাভাবিকভাবেই বৃদ্ধি পায়।
  • প্রাচীন মিশরীয়রাই প্রথম স্তন ক্যান্সার শনাক্ত করেছিল যা 3500 বছর আগে প্যাপিরাসে নথিভুক্ত ছিল। হায়ারোগ্লিফগুলি স্তনে বুদবুদযুক্ত টিউমারকে চিত্রিত করেছে যা নিরাময় করা যায় না।
  • পুরুষদেরও স্তন ক্যান্সার হতে পারে। হ্যাঁ, পিটার ক্রিসই প্রথম মানুষ যিনি স্তন ক্যান্সার থেকে বেঁচে ছিলেন।

দুধের আকার পরিবর্তনের কারণ

দুধের আকার পরিবর্তনের অনেক কারণ আছে।

  • বয়স
  • বিএমআই
  • ফিটনেস লেভেল
  • শরীরের ওজন
  • ডায়েট বা খাদ্যাভাস
  • জেনেটিকস
  • প্রেগন্যান্সি
  • বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানো
  • মাসিক চক্র

দুধের সাইজ বড় করার খাদ্য

শুধু স্তনে মেসেজ করলেই হবে না। স্তন বড় করতে স্তনের চর্বি এবং টিস্যু বেশি করতে আপনাকে কিছু পুষ্টিকর খাদ্য খেতে হবে। বেশ কিছু খাবার যেমন দুধ, ফলমূল ইত্যাদি স্তনের আকার বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এখানে এসব খাবারের লিস্ট দেয়া হল। মেয়েরা কত সময় মিলন করতে পারে?

দুধঃ দুধে থাকা চর্বি আপনার দেহে চর্বি তৈরী করে। আর এই চর্বি দেহেত বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে কোমড় এবং স্তনে জমা হয়ে স্তনের আকার বাড়ায়। যার ফলে দেখবেন যে আপনার দেহের ওজন বাড়লে আপনার স্তনও বাড়ে।

পেপেঃ দুধের সাথে পেপে মিক্স করে খেলে স্তনের আকার বাড়ানোর জন্য বেশ ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। কারণ পেপেতে থাকে ভিটামিন বেশ কিছু হরমোন নিঃসরণ করতে সাহায্য করে। তবে আপনি প্রেগন্যান্ট হলে আপনার এক্সট্রা কিছু ফলমূল খাওয়া উচিত।

বিভিন্ন সবজী এবং ফলের বীজঃ গাছের বীজে সবচেয়ে বেশি শক্তি সঞ্চিত থাকে কারণ সেই বীজ থাকে নতুন গাছ হওয়ার সময় যাতে করে সে বেচে থাকতে পারে। আর এরকম বীজ খেলেও আপনার স্তনের আকার বাড়তে পারে। যেমন মিষ্টিকুমড়ার বীজ, লাউয়ের বীজ ইত্যাদি।

বীজের পেস্ট ম্যাসাজ করাঃ যেহেতু বীজের ভিতর পুষ্টি থাকে তাই আপনি যদি বীজ গুড়া করে পেস্ট বানিয়ে অলিভ অয়েল, সরিষার তেল, নারিকেল তেলের সাথে মিশিয়ে যদি স্তনে মালিশ করেন তাহলে বেশ ভালো উপকার পাওয়া যায়। কাঠবাদাম মেসেজ করলেও ভাল ফল পাওয়া যায়। দুধ ম্যাসাজ করার পদ্ধতি

বাদামঃ বাদামে থাকে বেশিরভাগই তেল। আর আপনি বাদাম খেলে আপনার স্তনের চর্বি বাড়ে এবং স্তন বড় হয়। সেক্সে কিসমিসের উপকারিতা কি?

সর্বশেষঃ

আজকের আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করলাম কিভাবে মেয়েদের দুধ ম্যাসাজ করতে হয়, মেয়েদের দুধ বড় করার উপায় ইত্যাদি। তবে আপনার দুধের সাইজ যদি ৩২ থেকে ৩৪ হয় তাহলে বুঝে নিন এটা যথেষ্ট। এর বেশি বড় করলে আপনার শারীরিক গঠন নষ্ট হয়ে যায়। আর এমনি ২৮ এর নিচে হলে সামান্য বড় করতে পারেন। তবে আমার কথা হল যে আপনাকে ভালবাসবে সে আপনাকে আপনার শরীর দেখে ভালবাসবে না। তবে হ্যা, অনেক ছেলে বিয়ের আগে প্রেম করে না যে সে একটা মেয়েকেই সারাজীবন ভালবাসবে। তো যদি আপনার স্তন অনেক ছোট হয় সেতা হয়ত আপনার স্বামীর পছন্দ নাও হতে পারে। তখন আপনাকে আপনার দুধ এক বা দুই সাইজ বাড়াতে বলতে পারে এবং আপনি সেটা করতে পারেন। আর যদি এমন হয় যে, আপনার স্তন অনেক ছোট এবং আপনার ৩৮ বা তার বেশী সাইজের স্তন লাগবে তাহলে সার্জিক্যাল অপারেশন করতে পারেন।

Comments

Popular posts from this blog

জরায়ু কেটে ফেললে কি সহবাস করা যায়?

যোনিতে লিংগ প্রবেশের নিয়ম

গর্ভাবস্থায় বীর্য ভিতরে গেলে কি হয় ?